১৪/১২/১৯৭২ইং তারিখে কুমিল্লা সদর ৩য় জয়েন্ট সাব রেজিষ্ট্রি ৫৪৮১নং সাফ কবলা দলিল মূলে সাফ বিক্রয় করিয়া ভূমির দখলাদি বুঝাইয়া দেওয়ায় তাহাতে আমি অত্র দলিল দাতা উক্ত সাফ কবলা দলিল মূলে খরিদ করিয়া খরিদা রায়তি স্বত্বে মালিক ও দখলকার বিদ্যমান হই।
ও কতেক ভূমিতে উক্ত রমজান আলীর পুত্র কেরামত আলী পৈত্রিক ওয়ারিশ রায়তি স্বত্বে মালিক ও দখলকার বিদ্যমান থাকাবস্থায় আমি অত্র দলিল দাতার নিকট বিগত ১১/০১/১৯৯২ইং তারিখে কুমিল্লা সদর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রিকৃত ২৫৭নং সাফ কবলা দলিল মূলে সাফ বিক্রয় করিয়া ভূমির দখলাদি বুঝাইয়া দেওয়ায় তাহাতে আমি অত্র দলিল দাতা উক্ত সাফ কবলা দলিল মূলে খরিদ করিয়া খরিদা রায়তি স্বত্বে মালিক ও দখলকার বিদ্যমান হই।
অতঃপর আমি দলিল দাতা উল্লেখিত সাফ কবলা দলিলদ্বয় মূলে খরিদ করিয়া খরিদা রায়তি স্বত্বে মালিক ও দখলকার বিদ্যমান থাকিয়া আমার নিজ গং নামে হাল বাংলাদেশ সার্ভে জরিপামলে বি,এস চূড়ান্ত ১২১নং খতিয়ান সৃজনক্রমে মালিক ও দখলকার বিদ্যমান হই।
এবং কতেক ভূমিতে সাকিন মনোহরপুর নিবাসী আবদুল হামিদ এর পুত্র আলহাজ্ব আবদুল হালিম বিগত ০৩/০১/১৯৯০ইং তারিখে কুমিল্লা সদর ৩য় জয়েন্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রিকৃত ১নং বহির ৯নং বালামের ৯৪ হইতে ৯৭ পৃষ্ঠায় লিপিকৃত ৩৪নং সাফ কবলা দলিল মূলে সাকিন উনাইসার নিবাসী মির্জা আবদুল কাশেমের স্ত্রী বেগম মমতাজ মির্জা এর নিকট হইতে খরিদ করিয়া খরিদা রায়তি স্বত্বে মালিক ও দখলকার বিদ্যমান থাকাবস্থায় বিগত ১৯৯১-৯২ইং সনের ৫২নং জমা খারিজ মোকদ্দমার আদেশ মতে ৩৯৪নং আর, এস খারিজা খতিয়ান সৃজনক্রমে মালিক ও দখলকার বিদ্যমান থাকাবস্থায় আমি অত্র দলিল দাতার নিকট বিগত ৩০/০৭/১৯৯৭ইং তারিখে কুমিল্লা সদর ৩য় জয়েন্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রিকৃত ৩৭৪০নং সাফ কবলা দলিল মূলে সাফ বিক্রয় করিয়া ভূমির দখলাদি বুঝাইয়া দেওয়ায় তাহাতে আমি অত্র দলিল দাতা উক্ত সাফ কবলা দলিল মূলে খরিদ করিয়া খরিদা রায়তি স্বত্বে মালিক ও দখলকার বিদ্যমান থাকাবস্থায় হাল বাংলাদেশ সার্ভে জরিপামলে আমার নিজ গং নামে বি,এস চূড়ান্ত ৪৬২নং খতিয়ান সৃজনক্রমে মালিক ও দখলকার বিদ্যমান আছি ও বটি।
যেহেতু তোমরা অত্র দলিল গ্রহিত্রী আমি দলিল দাতার ঔরষজাত কন্যা সন্তান বট