(প্রথম পক্ষ/ভূমির মালিকগণের ও নিম্ন তপছিলোক্ত ভূমির মালিকানা সহ সকল বর্ণনা)
পরম করুনাময় সর্বশক্তিমান মহান সৃষ্টিকর্তার নাম স্মরণ করিয়া অত্র চুক্তিপত্র দলিলের আইনানুগ বয়ান আরম্ভ করিলাম। জিলা-কুমিল্লা, উপজেলা-কুমিল্লা সদর দক্ষিণ, পং-মেহেরকুল এলাকাধীন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্গত সি,এস/আরএস ২১৩নং হাল বিএস ১৪৮নং মৌজা-আশ্রাফপুর মধ্যে নিম্ন তপছিল বর্ণিত ভূমিসহ অপরাপর ভূমিতে আমি অত্র ১নং দলিল দাত্রীর স্বামী ও আমি অত্র ২নং দলিল দাতার পিতা মোঃ আবদুস সামাদ তিনি মোঃ সিরাজুল হক গং-কে প্রতিপক্ষ করত: মোকাম কুমিল্লার ১ম সাব জজ আদালতে বাজে প্রিয়েমশান ৫৯/৯৭ইং মোকাদ্দমা দায়ের করত। উক্ত মোকাদ্দমার রায় ডিক্রী মূলে এবং আদালত কর্তৃক দখল প্রাপ্তে একক মালিক ও দখলকার বিদ্যমান থাকিয়া হাল বাংলাদেশ জরিপে তাহার নিজ নামে বি.এস চূড়ান্ত-৯৭৬নং খতিয়ান সৃজনক্রমে মালিক ও ভোগ দখলকার বিদ্যমান থাকাবস্থায় তিনি বিগত ১৩/০৮/২০২০ইং তারিখে কুমিল্লা সদর দক্ষিন সাব রেজিস্ট্রারী অফিসে রেজিস্ট্রারীকৃত ৫৭৫৪নং হেবার ঘোষনাপত্র দলিল দ্বারা আমি অত্র ১নং দলিল দাত্রীকে স্ত্রী স্বরূপে ও আমি অত্র ২নং দলিল দাতাকে পুত্র স্বরূপে হেবা প্রদান করিলে তাহাতে আমি অত্র ১নং দলিল দাত্রী স্বামী হইতে ও আমি অত্র ২নং দলিল দাতা পিতা হইতে উক্ত ৫৭৫৪নং হেবার ঘোষনাপত্র দলিলমূলে হেবাপ্রাপ্তে মালিক ও ভোগ দখলকার বিদ্যমান থাকিয়া মানিক সেরেস্তায় বিগত ২০২০-২১ইং সনের ১০৪৭নং নামজারী জমা খারিজ মোকাদ্দমার আদেশমতে আমরা অত্র দলিল দাত্রী ও দাতার নিজ নামে ১৩৩৪নং খারিজ খতিয়ান সৃজন ক্রমে নিয়মিত সদর খাজনা আদায় পূর্বক দাখিলা সংগ্রহে অন্যের স্বত্ব অস্বীকারে আমাদের নিজ নিজ স্বত্ব প্রচারে সর্বসাধারনের অবগতিতে প্রকাশ্যে মতে মালিক দখলকারিনী ও দখলকার বিদ্যমান আছি ও বটি।
এমতাবস্থায় দ্বিতীয় পক্ষগন/ডেভেলপার প্রথম পক্ষ/ভূমির মালিকগনের বর্ণিত দলিল মূলে প্রাপ্ত ০৮ (আট) শতক ভূমিতে একটি ০৯ (নয়) তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মানের প্রস্তাব করিলে এতদসংক্রান্ত বিষয়ে আমরা উভয় পক্ষগণ ব্যাপক আলাপ-আলোচনা করে হাজিরান মজলিসে উল্লেখিত স্বাক্ষীগণের উপস্থিতে নিম্ন লিখিত শর্ত সাপেক্ষে তপছিল "ক" বর্ণিত সম্পত্তির উপর একটি ০৯ (নয়) তলা বিশিষ্ট ভবণ নির্মানের লক্ষে অত্র চুক্তিপত্র দলিল সম্পাদন করিলাম।
নালেন নিন, দুর্নীতিকে বিদায় দিন"