করুনাময় মহান আল্লাহ তায়ালার নাম স্মরণ করিয়া অত্র হেবার ঘোষণা পত্র দলিলের আইনানুগ বয়ান আরম্ভ করিলাম। জিলা-কুমিল্লা, উপজেলা-আদর্শ সদর পরগনা মেহারকুল এলাকাধীন সাব রেজিস্ট্রারী মোকাম কুমিল্লা ৬নং জগন্নামপুর ইউরিন অন্তর্গত আর,এস ৩২৬/১ নং বি.এস ২১২ নং জে,এল ভুক্ত মৌজা-কুচাইতলী স্থিত নিম্ন তপছিল বর্ণিত ভূমি ও অপরাপর ভূমিতে আমি দলিল দাতার পিতা ইমান আলী ওয়ারিশ পরম পরায় পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে রায়তি স্বত্বে অপরাপর শরিকানের সহিত পারিবারিক আপোষ চিহ্নিত ভাবে মালিক এ দখলভার বিদ্যমান থাকাবস্থায় আর,এস ৩৬ নং খতিয়ান তাহার নিজ গং নামে রেকর্ড ভূক্ত করিয়া রীতিমত রাজস্ব কর আদায় করতঃ ও চেক দাখিলা গ্রহনে তাহাতে তিনি মালিক ও দখলকার বিদ্যমান থাকাবস্থায় পরলোকগমন করিণে তত্তীয়বিত্বে আমি দলিল দাতা আমি আমার পরলোকগত পিতা ইমান আলীর ত্যাজ্যবিত্বে পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে রায়তি স্বত্ত্বে অপরাপর শরিকানের সহিত পারিবারিক আপোষ চিহ্নিত ভাবে মালিক ও দখলকায় বিদ্যমান থাকাবস্থায় ও কতেক ভূমি বিগত ১৭/০২/১৯৮২ ইং তারিখে কুমিল্লা জেলা রেজিস্ট্রী অফিসে রেজিস্ট্রীকৃত ১নং বহির ১২০ নং ভলিয়মের ১১৯ হইতে ১২২ পৃষ্ঠায় লিপিকৃত ৭৮০২ নং সাফ কবলা দলিল মূলে সাকিন কুচাইতলী নিযাসী মৃত সোনা মিয়ার স্ত্রী শাবানী বিবির নিকট হইতে খরিদ করিয়া খরিদ সূত্রে মালিক ও দখলকার বিদ্যমান ८९।
অতঃপর সাকিন কুচাইতলী নিবাসী মৃত বশতর আলীর পুত্র বজলু মিঞা বিগত ২৬/০৪/১৯৮২ ইং তারিখে কুমিল্লা সদর ৩য় জয়েন্ট সাব রেজিস্ট্রী অফিসে রেজিস্ট্রীকৃত ১নং বহির ৩৪ নং ডলিয়মের ১৮২ হইতে ১৮৫ পৃষ্ঠায় লিপিকৃত ২১৮৭ নং সাফ কবলা দলিল মূলে উক্ত সাকিন কুচাইতলী নিবাসী মোহাম্মদ চারু দিএমন পুত্র ছোবাব মিঞা হইতে খরিদ করিয়া খরিদ সূত্রে মালিক ও দখলকার বিদ্যমান হন।।