জিলা-কুমিল্লা, উপজেলা- সদর দক্ষিণ পরগনা মেহারকুল এলাকাধীন, সাব-রেজিস্ট্রারী মোকাম সদর দক্ষিণ কুমিল্লা, সাবেক ২৭৭নং হালে ৫৬নং জে,এল ভুক্ত মৌজা-জয়পুর স্থিত তফসিল বর্ণিত ভূমিতে আলেক হোসেন মালিক দখলকার বিদ্যমান থাকিয়া বিক্রয় করিলে, করিমের নেছা বিগত ২৩/১২/১৯৪০ইং তারিখের সাফ কবলা দলিল শূলে খরিদ করিয়া মালিক দখলকার হন। তৎপর রিভিশনাল জরিপে অপরাপর ভূমি সহ নিম্ন তফসিল বর্ণিত ভূমি করিমের নেছার পুত্র আবদুল মালেকের নামে আর.এস ২৬নং খতিয়ান প্রস্তুত ও প্রকাশিত হয় অতঃপর তৈয়ব আলী বিগত ২৫/০৪/১৯৬১ইং তারিখে কুমিল্লা সদর জয়েন্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রিকৃত ৫৬৭৮নং সাফ কবলা দলিল মূলে করিমের নেছা হইতে খরিদ করিয়া মালিখ দখলকার হন। তৎপর তৈয়ব আলী মৃত্যু বরণ করিলে তত্ত্বীয় ত্যজ্জবিত্তে পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে হুমায়ুন কবির ও তাহার অপরাপর শরীকান সহ মালিক থাকিয়া তিনি তাহার অপরাপর শরীকানের সাহিত পারিবারিক আপোষ চিহ্নিত মিমাংসা মতে ভোগ দখলকার থাকাবস্থায় বিনিময় করিলে, বজলু মিয়া বিগত ২৮/০৯/১৯৮১ইং তারিখে কুমিল্লা সদর ৩য় জয়েন্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিষ্ট্রিকৃত ৪১৭৮নং এওয়াজ নামা দলিল মূলে এওয়াজ প্রাপ্ত হইয়া মালিখ দখলকার থাকাবস্থায় দান করিলে, আমি অত্র দলিল দাত্রী বিগত ১৪/০৮/১৯৮৩ইং তারিখে উক্ত অফিসে রেজিষ্ট্রিকৃত ৩৫৮৬নং পিতার প্রদত্তীয় দানপত্র দলিল মূলে দানপ্রাপ্ত হইয়া বাংলাদেশ জরিপে বি.এস চূড়ান্ত ১৮নং খতিয়ান সৃজন করিয়া নিম্ন (খ) তপছিল বর্ণিত ভূমিতে মালিক দখলকার হই ও আছি।
যেহেতু তুমি দলিল গ্রহীতা আমার গর্ভজাত পুত্র বিধায় আমি তোমার