দখলকার থাকিয়া বাংলাদেশ জরিপে আমাদের নামে স্ব-স্ব হিস্যানুসারে রেকর্ডভুক্ত করতঃ তৎবাবদে পর্চা-খতিয়ান প্রস্তুত ও প্রকাশিত হয়।
সামের আঙুল কাসেম
তৎপর আমি দলিল দাতা আমার ঐ ঐ শরীকানগণের সহিত পারিবারিক আপোষ-মিমাংসামতে ও পরস্পর এওয়াজে চিহ্নিতভাবে আমার নিজাংশে নিম্ন তফসিল বর্ণিত ভূমিসহ অপরাপর ভূমিতে এবং অন্যান্য মৌজা হায়ের ভূমিতে বণ্টন ও দখলপ্রাপ্তে এবং কতেক ভূমিতে আমার চার ভগ্নি ফিরোজা বেগম গং এর নিকট হইতে বিগত ২০ সেপ্টেম্বর, ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ তারিখে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে রেজিস্ট্রিকৃত ৬০৯৪নং হেবার-ঘোষণাপত্র দলিলমূলে এবং আমার মাতা সাফিয়া খাতুন হইতে বিগত ২৪ ডিসেম্বর, ২০০৮ খ্রিস্টাব্দ তারিখে ঐ অফিসে রেজিস্ট্রিকৃত ১০১৪৮নং হেবার-ঘোষণাপত্র দলিলমূলে হেবাপ্রাপ্তে অন্যের বিরুদ্ধ দখলজনিতস্বত্বে অন্যের স্বত্ব অস্বীকারে নিজ স্বত্ব প্রচারে তদবধি তাহাতে অর্থাৎ নিম্ন তফসিল বর্ণিত ভূমিসহ অপরাপর ভূমিতে এবং অন্যান্য মৌজা হায়ের ভূমিতে আমি অত্র দলিল দাতা নিষ্কণ্টক ও নিরবচ্ছিন্নভাবে একক মালিক দখলকার বিদ্যমান হই ও আছি।
যেহেতু তোমরা দলিল গ্রহীতাত্রয় আমার ঔরষজাত পুত্র বট। আশৈশব তোমাদিগকে লালন-পালন করিয়া আসিতেছি। মানব জীবন অনিত্য, কখন কাহার কী হয় বলা যায় না, যদিও আমি সুস্থ্য ও সবল শরীরে বিচরণ করিতেছি, তোমাদের ভবিষ্যত কল্যাণার্থে জীবমানে আমার নিম্ন তফসিল বর্ণিত ভূমি তোমাদিগকে মুসলিম শরীয়ত আইন মোতাবেক ইতিপূর্বে নিম্ন লিখিত স্বাক্ষীগণের মোকাবেলায় মৌখিক হেবার মাধ্যমে দান করিয়া দিয়াছি।
কিন্তু সর্বোপরি আইনগতভাবে সকল প্রকার